প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর ব্যক্তিগত কাজে ঈশ্বরদী বাজারে আসেন সোহাগ। কাজ শেষে উপজেলার সাঁড়া গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বন্ধুদের সাথে কথা বলছিলেন।
এ সময় হঠাৎ করে পাকশীর তালতলা এলাকার দিক থেকে মুখে কালো কাপড় পরিহিত ১০ থেকে ১২ জনের একটি গ্রুপ মোটরসাইকেলে এসে অতর্কিত হামলা ও গুলিবর্ষণ শুরু করে। তাৎক্ষণিক পাশের একটি ধানক্ষেত দিয়ে দৌড়ে পালানোর সময় চারদিক থেকে ঘেরাও করে সোহাগকে কুপিয়ে ও গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
গোলাগুলির শব্দ শেষে এলাকাবাসী সোহাগকে নিহত অবস্থায় ধানক্ষেতের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
তিনি আরো জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করার পর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। কারা ও কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।






