বীর বাংলা নিউজঃ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনের আর মাত্র ১ দিন বাকি রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭.৩০ থেকে শুরু করে বিকেল ৪.৩০ পর্যন্ত চলবে বিরতিহীন ভোট গ্রহন। ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে প্রচার- প্রচারণা। এখন চলছে শেষ সময়ের হিসেব নিকেশ কে হবেন বিজয়ী। ধানেরশীষ, দাঁড়িপাল্লা নাকি মোটরসাইকেল। এই আসনে বেশ কিছু কেন্দ্র ঝুকিপূর্ণ রয়েছে। সেই সকল কেন্দ্রে বাড়তি নজরদারি রাখবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
এই নির্বাচনে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী- আটঘরিয়া) সংসদিয় আসন-৭১ এ মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল (বিএনপি) র ধানেরশীষ) প্রতিকে পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর (দাঁড়িপাল্লা) প্রতিক নিয়ে অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল, (মোটরসাইকেল) প্রতিক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টু, জাতীয়পার্টির (লাঙ্গল) প্রতিক নিয়ে সাইফুল আজাদ, বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির (কাস্তে) প্রতিক নিয়ে সোহাগ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর (হাতপাখা) আনোয়ার শাহ, নাগরিক ঐক্য দলের শাহনাজ হক (কেটলী) প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
এই আসনে মোট ভোটার ৪,৩৭,১৪৫ জন। এর মধ্যে ঈশ্বরদী উপজেলায় ২,৯১,৬০৭ জন ও আটঘরিয়া উপজেলায় ভোটার ১,৪৫,৫৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২,১৮,৯৫৬ ও নারী ভোটার ২,১৮,১৮৩ জন। এই নির্বাচনে অন্যান্য দলে একক প্রার্থী থাকলেও বিএনপি থেকে ৪ জন মনোনয়ন কিনেছিলেন। এর মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম সরদার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন আর এ্যাডভোকেট জামিল আক্তার এলাহী মনোনয়ন জমা দেননি। বিএনপি হাবিবুর রহমান হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়ার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাধারন সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু।
তা ছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম সরদার মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেও তাকে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে না। আর বিএনপির প্রভাবশালী নেতা জাকারিয়া পিন্টু স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার অনেটা চাপে রয়েছেন হাবিব। তবে জয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।
এদিকে নির্বাচনে ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবু তালেব মন্ডল। কারণ, তার দলে কোন বিদ্রোহী নেই সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাকে জেতানো জন্য কাজ করছেন। আসন্ন নির্বাচনে বাকি ৫ জন প্রার্থীদের মধ্যে কারো কারো সীমিত মাইকে ও পোস্টারে প্রচার দেখা যাচ্ছে। কিন্তু ওই সব প্রার্থী বা তাদের সমর্থকদের খুব কমই প্রকাশ্যে ভোট চাইতে দেখা যাচ্ছে ।
নির্বাচনের দিন যতোই এগিয়ে আসছে ততোই যেন প্রার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের দিন ভোট গননা শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে কে হচ্ছেন এই এলাকার আইন প্রনেতা।