1. admin@birbangla24.com : birbangla24.com :
  2. tipuisd@gmail.com : বীর বাংলা ডেক্সঃ : বীর বাংলা ডেক্সঃ
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঈশ্বরদীর সুজন নিহত ঈশ্বরদী পৌরবাসীর উপর করের বোঝা চাপান হবে না– মেয়র ইছাহক আলী মালিথা ঈশ্বরদীর চরগড়গড়ির খাইরুল হত্যা মামলার প্রধান আসামী মজনু গ্রেফতার ঈশ্বরদী নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদী জমজম হাসপাতালে ঝাড়ুদার দিয়ে প্রসব করানোর অভিযোগ | নবজাতকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র আহতের প্রতিবাদে সহপাঠীদের মানববন্ধন ঈশ্বরদীতে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে স্কুল ছাত্র আহত ঈশ্বরদী ইপিজেড এলাকায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন | স্বামী আটক ঈশ্বরদীতে সাপের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু আজ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী

২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা প্রতিবাদে ঈশ্বরদী স্বেচ্ছাসেবক লীগের মানববন্ধন

বীর বাংলা নিউজ
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

২১ আগষ্ট  গ্রনেড হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন পথসভা ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ। আজ শনিবার সকালে ঈশ্বরদী ষ্টেশন রোডে তারা এই মানববন্ধন করে। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক মাসুদ রানার সভাপতিত্বে ও যুগ্ন আহবায়ক সজিব মালিথার সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা – ৪ আসনের সংসদ সদস্য  বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান বিশ্বাস, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী পৌর মেয়র ইছাহক আলী মালিথা।  এ ছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আতিয়া ফেরদৌস কাকলী, তৌহিদুজ্কাজামান দোলন বিশ্বাস, পৌর কাউন্সিল  আমিনুর রহমান সহ স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিভিন্ন কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পথসভায় এমপি বলেন, সে দিন গ্রেনেড হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। কিন্তু আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে তিনি বেঁচে গেলেও শ্রবনশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গ্রেনেডের আঘাতে প্রাণ হারান আইভি রহমান, মোহম্মদ হানিফসহ ২৪ জন, অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, অনেকে গ্রেনেডের স্পিন্টার শরীরে বহন করছেন। তিনি আরও বলেন, ষড়যন্ত্র থেমে নেই ষড়যন্ত্র চলছে, স্বেচ্ছাসেবক লীগকে আওয়ামীলীগের নির্দেশে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার। পথসভায় মেয়র ইছাহক আলী মালিথা গ্রেনেড হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকাল ৫টার কিছু পর। হঠাৎ দফায় দফায় বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে ঢাকার প্রাণকেন্দ্র বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ। হামলার লক্ষ্য ছিল ওই এলাকায় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশ।

বিস্ফোরণ শুরু হওয়ার ঠিক আগেই একটি ট্রাকের ওপর বানানো অস্থায়ী মঞ্চে প্রধান অতিথির ভাষণ মাত্র শেষ করেছেন সেসময়কার বিরোধীদলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। হঠাৎ সমাবেশস্থলের দক্ষিণ দিক থেকে মঞ্চ লক্ষ্য করে ছোড়া হয় গ্রেনেড।

সেদিন শেখ হাসিনার বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে আকস্মিক এসব গ্রেনেড নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। রক্তাক্ত মানুষের আহাজারিতে বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।

সেসময়ে দলীয় নেতা এবং হাসিনার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী তাৎক্ষণিকভাবে এক মানববলয় তৈরি করে নিজেরা আঘাত সহ্য করে শেখ হাসিনাকে গ্রেনেডের হাত থেকে রক্ষা করেন। হামলায় অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের প্রচণ্ড শব্দে তার শ্রবণশক্তির গুরুতর ক্ষতি হয়।

সেদিনের সেই ঘটনায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী ও আওয়ামী লীগের তৎকালীন মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন।

এই বর্বরোচিত হামলায় নিহত অন্যারা হলেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ল্যান্স করপোরাল (অব.) মাহবুবুর রশীদ, আবুল কালাম আজাদ, রেজিনা বেগম, নাসির উদ্দিন সরদার, আতিক সরকার, আবদুল কুদ্দুস পাটোয়ারি, আমিনুল ইসলাম মোয়াজ্জেম, বেলাল হোসেন, মামুন মৃধা, রতন শিকদার, লিটন মুনশী, হাসিনা মমতাজ রিনা, সুফিয়া বেগম, রফিকুল ইসলাম (আদা চাচা), মোশতাক আহমেদ সেন্টু, মোহাম্মদ হানিফ, আবুল কাশেম, জাহেদ আলী, মোমেন আলী, এম শামসুদ্দিন, ইসাহাক মিয়া প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত