1. admin@birbangla24.com : birbangla24.com :
  2. tipuisd@gmail.com : বীর বাংলা ডেক্সঃ : বীর বাংলা ডেক্সঃ
মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ঈশ্বরদীতে বঙ্গবন্ধু (অনুর্ধ-১৭) বালক ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন ঈশ্বরদীতে বিনা মূল্যে স্বাস্থ সেবা প্রদান ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঈশ্বরদীর সুজন নিহত ঈশ্বরদী পৌরবাসীর উপর করের বোঝা চাপান হবে না– মেয়র ইছাহক আলী মালিথা ঈশ্বরদীর চরগড়গড়ির খাইরুল হত্যা মামলার প্রধান আসামী মজনু গ্রেফতার ঈশ্বরদী নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদী জমজম হাসপাতালে ঝাড়ুদার দিয়ে প্রসব করানোর অভিযোগ | নবজাতকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র আহতের প্রতিবাদে সহপাঠীদের মানববন্ধন ঈশ্বরদীতে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে স্কুল ছাত্র আহত ঈশ্বরদী ইপিজেড এলাকায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন | স্বামী আটক

ভ্যাট প্রত্যাহার সয়াবিন তেলের দাম লিটারে কমতে পারে ৩০ টাকা

বীর বাংলা নিউজ
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ মার্চ, ২০২২
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

সয়াবিন তেল বাজারে বর্তমানে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সয়াবিন তেল আমদানিকারক কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সিটি গ্রুপ। কোম্পানিটির বিপণন বিভাগের পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা মনে করছেন, সরকার ভ্যাট প্রত্যাহারের যে ঘোষণা দিয়েছে, তাতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ৩০ টাকার মত কমতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, সয়াবিন তেলের ক্ষেত্রে মোট ২০ শতাংশ ভ্যাট মওকুফ করা হয়েছে। এর মধ্যে উপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ এবং ভোক্তা পর্যায়ে ৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

এর আগে আজ বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল নিত্যপণ্যের বাজার সামাল দিতে ভোজ্যতেলে ভ্যাট মওকুফের ঘোষণা দিয়েছেন। সচিবালয়ের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে এদিন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশে জিনিসপত্রের দাম যাতে সহনীয় পর্যায়ে থাকে, সেজন্য কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে যেসব আইটেমের ওপর ভ্যাট ছিল সেগুলো আজ তুলে নিয়েছি। সরকারের পক্ষ থেকে যতটা সম্ভব সহযোগিতা করা হচ্ছে। ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে চিনি, ছোলা ও ভোজ্যতেলের ওপর থেকে।

অর্থমন্ত্রী স্বীকার করেন যে, নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় মানুষের কষ্ট হচ্ছে। মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জনগণ তখনই ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন নিজস্ব উৎপাদন কম হয়। আবার আমদানি করা জিনিসগুলো তো আমাদের হাতে নয়, বিভিন্ন প্যারামিটারের কারণে সেগুলোর দামও বেড়ে যায়। এতেও ক্ষতিগ্রস্ত হয় ক্রেতারা।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, যেমন এখন যুদ্ধ চলছে, এটাও অন্যতম একটা কারণ। এ রকম পরিস্থিতিতে এলসি প্রাইস, ট্রান্সপোর্ট কস্ট বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে সুযোগটা নেওয়ার চেষ্টা করেন আমদানিকারকরাও। এতে স্বাভাবিক কারণেই দাম আরও বেশি বেড়ে যায়।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান যে, উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ভ্যাট ও শুল্ক প্রত্যাহারের পাশাপাশি সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবিকেও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে। টিসিবির মাধ্যমে যদি সঠিকভাবে পণ্য বিতরণ করা যায়, তাহলে বাজারে সিন্ডিকেটের কাছে যদি কোনো মালামাল থেকে থাকে এবং দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, তারা সেই সুযোগ পাবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত