1. admin@birbangla24.com : birbangla24.com :
  2. tipuisd@gmail.com : বীর বাংলা ডেক্সঃ : বীর বাংলা ডেক্সঃ
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঈশ্বরদীর সুজন নিহত ঈশ্বরদী পৌরবাসীর উপর করের বোঝা চাপান হবে না– মেয়র ইছাহক আলী মালিথা ঈশ্বরদীর চরগড়গড়ির খাইরুল হত্যা মামলার প্রধান আসামী মজনু গ্রেফতার ঈশ্বরদী নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদী জমজম হাসপাতালে ঝাড়ুদার দিয়ে প্রসব করানোর অভিযোগ | নবজাতকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র আহতের প্রতিবাদে সহপাঠীদের মানববন্ধন ঈশ্বরদীতে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে স্কুল ছাত্র আহত ঈশ্বরদী ইপিজেড এলাকায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন | স্বামী আটক ঈশ্বরদীতে সাপের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু আজ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী

ঈশ্বরদীর আলোচিত গাড়ী চালক সম্রাট হত্যার প্রধান আসামী মমিন গ্রেফতার

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

 

 

facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
sharethis sharing button
বীর বাংলা নিউজঃ
ঈশ্বরদীর আলোচিত গাড়ী চালক সম্রাট হত্যা মামলার প্রধান আসামী সম্রাটের বন্ধু আব্দুল মমিন (৩২)কে গ্রেফতার করেছে  র‌্যাব।

রোববার (২৬ মার্চ) রাতে ঢাকার হাতিরঝিল থানার বাংলামোটর এলাকা থেকে মমিনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত মমিন পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বাঁশেরবাদা মধ্যপাড়া (দোকানপাড়া) গ্রামের বাহাদুর খাঁর ছেলে। নিহত সম্রাট একই উপজেলার মধ্য অরনকোলা রিফুজি কলোনী এলাকার আবু বক্কার সিদ্দিকের ছেলে। এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট দুইজন আসামী গ্রেপ্তার হলো। এর আগে মমিনের স্ত্রী সীমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোববার সীমাকে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে ২ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে।

র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মারুফ হোসেন পিপিএম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা বাদি হয়ে ঈশ্বরদী থানায় শনিবার রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৫৮। ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০। মামলায় সম্রাটের বন্ধু মমিনকে এক নাম্বার ও তার স্ত্রী সীমাকে দুই নাম্বার আসামীসহ আরও ৩ থেকে ৪ জনকে অজ্ঞাতানামা আসামী করা হয়েছে।

হত্যাকান্ডের পর থেকেই আসামী মমিন আত্মগোপনে চলে যায়। পলাতক এজাহার নামীয় আসামী মমিনকে গ্রেফতারের ব্যাপারে র‌্যাব উদ্যোগী হয়ে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে। তারই ধারাবাহিকতায় আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের একটি দল, র‌্যাব-৩ এর সহযোগীতায় ঢাকার হাতিরঝিল থানার বাংলামোটর এলাকায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় মমিনকে গ্রেপ্তার করে।

র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মারুফ হোসেন আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামী মমিনকে সোমবার ঈশ্বরদী থানায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে। তারপর আইনগত প্রক্রিয়া তারা করবেন।

র‌্যাব জানায়, নিহত সম্রাট প্রায় তিন বছর যাবত রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিকিম কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউরি ফেদারোপের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চালক সম্রাট প্রতিদিন রাত সাড়ে দশটার মধ্যে ডিউটি শেষে বাড়িতে ফেরত যেতেন। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) সম্রাট ডিউটি শেষে নিজ বাড়িতে না ফিরলে, তার পরিবারের লোকজন তার মোবাইলে ফোন দিলে মোবাইল ফোনটি বন্ধ পায়।

পরদিন শুক্রবার (২৪ মার্চ) নিকিম কোম্পানীর অন্য চালকদের কাছে নিহতের বাবা সম্রাটের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায় যে, চালক সম্রাট ২৩ মার্চ রাত ৮টা ১০ মিনিটে রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ডিউটি শেষ করে অফিসের PRADO গাড়ি যাহার নং ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৫-৪৭৪৮ নিয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে গেছেন। তখন পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে তারা জানতে পারে যে সম্রাট অফিসের গাড়িসহ বাঁশেরবাদা মধ্যপাড়ায় তার পূর্ব পরিচিত বন্ধু আব্দুল মমিনের বাসায় গিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরে সম্রাটের পরিবারের লোকজন মমিনের বাসায় গিয়ে মমিন কে না পেয়ে তার স্ত্রী সীমা খাতুনের কাছে সম্রাটের ব্যাপারে জানাতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয় এবং সম্রাটের পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলা হতে বিরত থাকেন।

চালক স¤্রাট ও তার চালিত গাড়ি খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে শনিবার (২৫ মার্চ) সকালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার আড়–য়াবান্দা গ্রামের শিলাইদহ ঘাট নামক স্থান থেকে পুলিশ একটি সাদা জিপ গাড়িসহ চালক সম্রাটের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে।

এর আগে শুক্রবার রাতে বিভিন্ন সূত্রে ধরে পুলিশ ঈশ্বরদী উপজেলার বাঁশেরবাদা এলাকার নিখোঁজ সম্রাটের বন্ধু আব্দুল মমিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার স্ত্রী সীমা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।

সীমা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে সম্রাট তাদের বাসায় গিয়ে তার মাথা ধরেছে বলে বিছানায় শুয়ে পড়ে। তার স্বামী মমিন ঔষধ আনতে বাইরে গেলে সম্রাট সীমার শরীরে হাত দেয়। তখন তিনি রাগে ও ক্ষোভে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় ও গোপানাঙ্গে আঘাত করলে সম্রাট মারা যায়। পরে তার স্বামী বাসায় ফিরলে লাশ বস্তায় ভরে ওই গাড়ীতে তুলে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরাঘুরি করেন। পরে মমিন তার স্ত্রী সীমাকে গাড়ী থেকে নামিয়ে দিয়ে শিলাইদহ ঘাটে লাশহসহ গাড়ী রেখে পালিয়ে যায়।

এদিকে, সম্রাট হোসেন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত সীমা খাতুনকে দুইদিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঈশ্বরদী থানার এসআই তহিদ হোসেন জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সীমা খাতুনকে রোববার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন জানানো হয়। পাবনা আমলী আদালত-২ এর বিচারক শামসুজ্জামান দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত