1. admin@birbangla24.com : birbangla24.com :
  2. tipuisd@gmail.com : বীর বাংলা ডেক্সঃ : বীর বাংলা ডেক্সঃ
শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :

আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রুপপুর পারমানবিক প্রকল্পে চুল্লি স্থাপনের কাজ উদ্বোধন করলেন

বীর বাংলা নিউজ
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৭০ বার পড়া হয়েছে

আজ ১০ অক্টোবর রবিবার  রুপপুর  বিদ্যুৎ প্রকল্পে স্থাপন করা হচ্ছে পারমানবিক চুল্লি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কাজের উদ্বোধন করবেন।  আর এরই মাধ্যমে রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কাজ আরও একধাপ এগিয়ে যাবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

চুল্লি স্থাপন অনুষ্ঠানে রূপপুর প্রকল্প এলাকা থেকে যোগ দেবেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, নির্মাণকাজের প্রধান ঠিকাদার রোসাটমের অন্যতম প্রধান নির্বাহী এলেক্সে লিখাচেভ, প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর, নির্মাণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এএসইর কর্মকর্তারাসহ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা।নিউক্লিয়ার রি-অ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের হার্ট। এটি আজ চুল্লিতে স্থাপন করা হবে। এ কাজে অংশ নেবেন রাশিয়ার বিশেষজ্ঞের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা। রাশিয়া থেকে রি-অ্যাক্টর প্রেসার ভেসেলটি গত বছর অক্টোবরে রূপপুর প্রকল্পে আনা হয়। ভেসেলটি চুল্লিতে স্থাপন করতে এক বছর ধরে অবকাঠামো প্রস্তুত করা হয়।
 জানা গেছে,  ১৯৬১ সালে পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। এ জন্য ১৯৬২-৬৮ সালে ২৬০ একর জমি অধিগ্রহন করা হয়।  মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীনতা লাভের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রূপপুরে ২০০ মেগাওয়াটের একটি পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর  প্রকল্পটি থেমে যায়। পরে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুসারে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান জানান, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দেশে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির (ক্লিন এনার্জি) মডেল হিসেবে বিবেচিত হবে, যা থেকে দীর্ঘ মেয়াদে পাওয়া যাবে সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত বিদ্যুৎ।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর জানান, রূপপুর প্রকল্পটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা। ঋণ হিসেবে রাশিয়া দিচ্ছে ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা। বাকিটা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত